খেলাধুলা ডেস্ক : শেষ ২ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের প্রয়োজন ছিল ৩৪ রান। জয় তো বাংলাদেশের হাতের নাগালেই; কিন্তু রুবেল হোসেনের করা ১৯তম ওভারে একাই দিনেশ কার্তিক নিলেন ২২ রান। দুটি ছক্কা আর দুটি বাউন্ডারির সঙ্গে একটি ডাবল। তার এই এক ওভারেই হেরে বসেছিল বাংলাদেশ।
শেষ ওভারে তবুও প্রয়োজন ছিল ১২ রান। বোলার সৌম্য সরকার। প্রথম বলই দিলেন ওয়াইড। পরের বলে কোনো রান নিতে পারলেন না বিজয় শঙ্কর। দ্বিতীয় বলে নিলেন ১ রান। দিনেশ কার্তিক স্ট্রাইকে এসে ১ রান নিলেন। চতুর্থ বলে শঙ্কর মারলেন বাউন্ডারি।
পঞ্চম বলে ছক্কা মারতে গিয়ে হলেন আউট। শেষ বলে দিনেশ কার্তিক গেলে স্ট্রাইকে। ১ বলে প্রয়োজন ৫ রান। সৌম্য সরকারকে ছক্কা মেরে বিজয় উদযাপন করলেন তিনি। নেচে উঠলো ভারতের ড্রেসিং রূম। নাচলো শ্রীলঙ্কার গ্যালারিও। এদিন যে, শ্রীলঙ্কার গ্যালারি হয়ে উঠেছিল ভারতের সমর্থক!
২০০৯ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রায় একই পরিস্থিতিতে রুবেলের শেষ দুই ওভারে দেয়া ৩৩ রানে নিশ্চিত জয় হাতছাড়া হয়েছিল বাংলাদেশের। কাতালীয়ভাবে সেটাও ছিল তিন জাতি টুর্নামেন্ট। তবে পার্থক্য একটাই; নয় বছর আগের ম্যাচটি ছিল ৫০ ওভারের ম্যাচে আসর। আর এটা টি টোয়েন্টি আসরের ফাইনাল।
ফাইনাল ম্যাচ এমনই হতে হয়! একটি ম্যাচ জমাতে যা দরকার হয়, সবই ছিল। ১৬৭ রানের লক্ষ্য, ফাইনালের মতো চাপের ম্যাচের যেন আদর্শ। বুক চিতিয়ে লড়াই করেছে বাংলার ১১ টাইগার। কিন্তু তাতে কি হবে ভাগ্যের সহায় থাকতে হবে! সেটাই ছিলো না। বাকি যা করার সবই তারা করেছে। তা না হলে তিন ওভার ভালো বল করা রুবেল কোনো শেষ ওভারে ২২ রান দিবে!











